২০১৬ সালে বগুড়া পৌরপার্কে বসে একদল সমাজ সচেতন তরুণের চিন্তার ফসল “পথের দিশা ভাসমান স্কুল”। বগুড়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান রাশেদ (বর্তমানে এমবিবিএস ডাক্তার) এই স্কুলের স্বপ্নদ্রষ্টা। তার স্বপ্নকে লালন-পালন করে বাস্তব রূপদানের দায়িত্ব নেন সাংবাদিক মোস্তফা মোঘল।
এরপর বগুড়া শহরের চেলোপাড়া মন্দিরের মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পড়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়। সেখান থেকে চেলোপাড়া দাখিল মাদরাসার বারান্দায় পরবর্তীতে বগুড়া রেল স্টেশন বস্তিতে স্কুলের কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়।
প্রথম অবস্থায় একদল কলেজ পড়ুয়া তরুণ-তরুণী শিক্ষকতার মহান দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে বস্তি সংলগ্ন ফাঁকা জায়গায় একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে সেখানেই স্কুলের কার্যক্রম চলছে।
বর্তমানে (২০২০ সালে) ৪০জন সুবিধা বঞ্চিত শিশু এই স্কুলে পড়াশোনা করছে।
বর্তমানে স্কুলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন প্রভাষক মহররম আলী এবং সাধারন সম্পাদক শামীম আহম্মেদ।